ঢাকা , শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
টাঙ্গাইলে পৌরসভা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবস্থান কর্ম-বিরতি ও বিক্ষোভ কর্মসূচি টাঙ্গাইল-৪ আসনে জাপা’র নেতা-কর্মীদের পুলিশি হয়রানির অভিযোগ বাসাইলে জামায়াত ইসলামীতে যোগ দিলেন হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের আহ্বায়ক টাঙ্গাইলে ২১৪ গ্রাম হেরোইনসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার টাঙ্গাইল ৮টি সংসদীয় আসনে ১ হাজার ৬৩ কেন্দ্র: ঝুঁকিপূর্ণ ১৬০ কেন্দ্র টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নারী চিকিৎসকদের বাথরুমে গোপন ক্যামেরা: ইন্টার্ন চিকিৎসকের ৫ দিনের রিমান্ড টাঙ্গাইলে অটো চালক হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার বাসাইলে বৃদ্ধ দম্পতিকে হত্যা: টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট কালিহাতীতে কিশোরী অপহরণ মামলায় গ্রেফতার ১ ইনশাআল্লাহ বিজয় এবার ধানের শীষেরই হবে : টুকু
শিরোনাম :
টাঙ্গাইলে পৌরসভা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবস্থান কর্ম-বিরতি ও বিক্ষোভ কর্মসূচি টাঙ্গাইল-৪ আসনে জাপা’র নেতা-কর্মীদের পুলিশি হয়রানির অভিযোগ বাসাইলে জামায়াত ইসলামীতে যোগ দিলেন হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের আহ্বায়ক টাঙ্গাইলে ২১৪ গ্রাম হেরোইনসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার টাঙ্গাইল ৮টি সংসদীয় আসনে ১ হাজার ৬৩ কেন্দ্র: ঝুঁকিপূর্ণ ১৬০ কেন্দ্র টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নারী চিকিৎসকদের বাথরুমে গোপন ক্যামেরা: ইন্টার্ন চিকিৎসকের ৫ দিনের রিমান্ড টাঙ্গাইলে অটো চালক হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার বাসাইলে বৃদ্ধ দম্পতিকে হত্যা: টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট কালিহাতীতে কিশোরী অপহরণ মামলায় গ্রেফতার ১ ইনশাআল্লাহ বিজয় এবার ধানের শীষেরই হবে : টুকু

টাঙ্গাইলে ভাসানীর ১৪৫ তম জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

  • ডেস্ক প্রবাহ
  • আপলোডের সময় : ০৭:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৫০৬৫ Time View

0-0x0-0-0#

টাঙ্গাইলে মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ১৪৫ তম জন্ম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) সকালে সন্তোষে ঐতিহাসিক দরবার হলে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

এ উপলক্ষে সকালে ভাসানীর মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু করেন মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশন।

এ সময় মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা প্রফেসর এ কে এম মহিউদ্দিন এর সভাপতিত্বে ও সংগঠনের মহাসচিব মাহমুদুল হক সানুর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রচার সম্পাদক ও টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

বিশেষ অতিথি ছিলেন- সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান শফিক, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক এডভোকেট আজিম উদ্দিন বিপ্লব, সদর থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ হামিদ, জেলা ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম প্রমুখ।

নেতা-কর্মীরা বলেন- মাওলানা ভাসানী ছিলেন নির্যাতিত নিপিড়িত মানুষের মহান নেতা।

তিনি ছিলেন বিংশ শতকে ব্রিটিশ ভারতে গণআন্দোলনের মহা নায়ক, যার হাত ধরে ১৯৪৭-এ পাকিস্তান সৃষ্টি এবং ১৯৭১-এ প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন বাংলাদেশ।

দিনটি উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে মাওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশন।

আজকের এই দিনে ১৮৮০ সালের (১২ ডিসেম্বর) সিরাজগঞ্জের ধানগড়া পল্লীতে জন্মগ্রহণ করেন এ মহান নেতা।

তিনি হাজি শারাফত আলী ও বেগম শারাফত আলীর পরিবারের চার সন্তানের মধ্যে সবার ছোট।

শৈশবে তার ডাক নাম ছিল চেগা মিয়া।

ইসলামিক শিক্ষার উদ্দেশ্যে ১৯০৭ সালে তিনি দেওবন্দ গিয়ে দুই বছর অধ্যয়নের পর আসামে ফিরে আসেন।

১৯১৭ সালে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ ময়মনসিংহ সফরে এলে তাঁর ভাষণ শুনে অনুপ্রাণিত হন ভাসানী।

ধর্ম চিন্তায় মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী মুসলমানের ঈমান-আকিদার কর্তব্য হিসেবে কেন এবং কী ভাবে মজলুমের পক্ষে দাঁড়াতে হবে তার একটি পথ দেখিয়েছেন।

তিনি এক শতাব্দী ব্যাপৃত যে সংগ্রাম চালিয়ে গিয়েছিলেন তার মূল লক্ষ্য ছিল শোষণমুক্ত সমাজ। এরই প্রাসঙ্গিক অংশ হিসেবে তিনি একটি ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন।

১৯১৯ সালে কংগ্রেসে যোগদানের পর খেলাফত আন্দোলন ও অসহযোগ আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে ১০ মাস কারাভোগ করেন। ১৯২৬ সালে আসামে প্রথম কৃষক-প্রজা আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটান তিনি।

১৯২৯ সালে আসামের ধুবড়ী জেলার ব্রহ্মপুত্র নদের ভাসানচরে প্রথম কৃষক সম্মেলন করেন। এরপর থেকে তাঁর নামের শেষে ভাসানী যুক্ত হয়।

ভাষা আন্দোলনে মওলানা ভাসানী ১৯৪৮ সালের নভেম্বর মাসে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান ঢাকা সফরে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি কে অশোভন আখ্যা দিয়ে সাফ জানিয়ে দিয়ে ছিলেন, পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার মীমাংসা হইয়া গিয়াছে।

মওলানা ভাসানী প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খানের রাষ্ট্রভাষা সংক্রান্ত মন্তব্য ও পূর্ব বাংলা বিরোধী বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেন।

এ ভাবে বিরোধিতার মধ্য দিয়েই তাঁর সরকারবিরোধী ভূমিকার শুরু হয়েছিল।

রাজনৈতিক জীবনে মওলানা ভাসানী ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট গঠনকারী প্রধান নেতাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন।

তিনি ১৯৬৪, ১৯৬৫, ১৯৬৮ সালের আন্দোলন এবং ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে মওলানা ভাসানী ভারতে চলে যান এবং প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের উপদেষ্টামণ্ডলীর সভাপতি হন।

১৯৭২ সালের (২ এপ্রিল) ঢাকায় পল্টনের জনসভায় চোরাচালানের বিরুদ্ধে আপসহীন মনোভাব ব্যক্ত করেন।

আজীবন শ্রমিক-কৃষক ও মেহনতি মানুষের মুক্তির জন্য কাজ করে গেছেন মওলানা ভাসানী।

১৯৩১ সালে সন্তোষের কাগমারী, ১৯৩২ সালে সিরাজগঞ্জের কাওরাখোলা এবং ১৯৩৩ সালে গাইবান্ধায় বিশাল কৃষক সম্মেলন করেন তিনি।

ভারতের একতরফা পানি প্রত্যাহারের প্রতিবাদে ১৯৭৬ সালে ফারাক্কা বাঁধ অভিমুখে ঐতিহাসিক লংমার্চ করেও স্মরণীয় হয়ে আছেন তিনি।

মওলানা ভাসানী ১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর ঢাকার পিজি হাসপাতালে (বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

পরে টাঙ্গাইলের সন্তোষে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

এ ছাড়া ভাষা আন্দোলনে বিশেষ অবদানের জন্য ২০০২ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক তাকে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করা হয়।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

টাঙ্গাইলে পৌরসভা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবস্থান কর্ম-বিরতি ও বিক্ষোভ কর্মসূচি

টাঙ্গাইলে ভাসানীর ১৪৫ তম জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আপলোডের সময় : ০৭:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫

টাঙ্গাইলে মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ১৪৫ তম জন্ম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) সকালে সন্তোষে ঐতিহাসিক দরবার হলে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

এ উপলক্ষে সকালে ভাসানীর মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু করেন মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশন।

এ সময় মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা প্রফেসর এ কে এম মহিউদ্দিন এর সভাপতিত্বে ও সংগঠনের মহাসচিব মাহমুদুল হক সানুর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রচার সম্পাদক ও টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

বিশেষ অতিথি ছিলেন- সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান শফিক, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক এডভোকেট আজিম উদ্দিন বিপ্লব, সদর থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ হামিদ, জেলা ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম প্রমুখ।

নেতা-কর্মীরা বলেন- মাওলানা ভাসানী ছিলেন নির্যাতিত নিপিড়িত মানুষের মহান নেতা।

তিনি ছিলেন বিংশ শতকে ব্রিটিশ ভারতে গণআন্দোলনের মহা নায়ক, যার হাত ধরে ১৯৪৭-এ পাকিস্তান সৃষ্টি এবং ১৯৭১-এ প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন বাংলাদেশ।

দিনটি উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে মাওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশন।

আজকের এই দিনে ১৮৮০ সালের (১২ ডিসেম্বর) সিরাজগঞ্জের ধানগড়া পল্লীতে জন্মগ্রহণ করেন এ মহান নেতা।

তিনি হাজি শারাফত আলী ও বেগম শারাফত আলীর পরিবারের চার সন্তানের মধ্যে সবার ছোট।

শৈশবে তার ডাক নাম ছিল চেগা মিয়া।

ইসলামিক শিক্ষার উদ্দেশ্যে ১৯০৭ সালে তিনি দেওবন্দ গিয়ে দুই বছর অধ্যয়নের পর আসামে ফিরে আসেন।

১৯১৭ সালে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ ময়মনসিংহ সফরে এলে তাঁর ভাষণ শুনে অনুপ্রাণিত হন ভাসানী।

ধর্ম চিন্তায় মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী মুসলমানের ঈমান-আকিদার কর্তব্য হিসেবে কেন এবং কী ভাবে মজলুমের পক্ষে দাঁড়াতে হবে তার একটি পথ দেখিয়েছেন।

তিনি এক শতাব্দী ব্যাপৃত যে সংগ্রাম চালিয়ে গিয়েছিলেন তার মূল লক্ষ্য ছিল শোষণমুক্ত সমাজ। এরই প্রাসঙ্গিক অংশ হিসেবে তিনি একটি ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন।

১৯১৯ সালে কংগ্রেসে যোগদানের পর খেলাফত আন্দোলন ও অসহযোগ আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে ১০ মাস কারাভোগ করেন। ১৯২৬ সালে আসামে প্রথম কৃষক-প্রজা আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটান তিনি।

১৯২৯ সালে আসামের ধুবড়ী জেলার ব্রহ্মপুত্র নদের ভাসানচরে প্রথম কৃষক সম্মেলন করেন। এরপর থেকে তাঁর নামের শেষে ভাসানী যুক্ত হয়।

ভাষা আন্দোলনে মওলানা ভাসানী ১৯৪৮ সালের নভেম্বর মাসে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান ঢাকা সফরে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি কে অশোভন আখ্যা দিয়ে সাফ জানিয়ে দিয়ে ছিলেন, পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার মীমাংসা হইয়া গিয়াছে।

মওলানা ভাসানী প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খানের রাষ্ট্রভাষা সংক্রান্ত মন্তব্য ও পূর্ব বাংলা বিরোধী বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেন।

এ ভাবে বিরোধিতার মধ্য দিয়েই তাঁর সরকারবিরোধী ভূমিকার শুরু হয়েছিল।

রাজনৈতিক জীবনে মওলানা ভাসানী ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট গঠনকারী প্রধান নেতাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন।

তিনি ১৯৬৪, ১৯৬৫, ১৯৬৮ সালের আন্দোলন এবং ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে মওলানা ভাসানী ভারতে চলে যান এবং প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের উপদেষ্টামণ্ডলীর সভাপতি হন।

১৯৭২ সালের (২ এপ্রিল) ঢাকায় পল্টনের জনসভায় চোরাচালানের বিরুদ্ধে আপসহীন মনোভাব ব্যক্ত করেন।

আজীবন শ্রমিক-কৃষক ও মেহনতি মানুষের মুক্তির জন্য কাজ করে গেছেন মওলানা ভাসানী।

১৯৩১ সালে সন্তোষের কাগমারী, ১৯৩২ সালে সিরাজগঞ্জের কাওরাখোলা এবং ১৯৩৩ সালে গাইবান্ধায় বিশাল কৃষক সম্মেলন করেন তিনি।

ভারতের একতরফা পানি প্রত্যাহারের প্রতিবাদে ১৯৭৬ সালে ফারাক্কা বাঁধ অভিমুখে ঐতিহাসিক লংমার্চ করেও স্মরণীয় হয়ে আছেন তিনি।

মওলানা ভাসানী ১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর ঢাকার পিজি হাসপাতালে (বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

পরে টাঙ্গাইলের সন্তোষে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

এ ছাড়া ভাষা আন্দোলনে বিশেষ অবদানের জন্য ২০০২ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক তাকে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করা হয়।